দশ এপ্রিল থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে অবলম্বনকারীদের এবং সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসারদের এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলন শেষে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ জন কমান্ডারের অধীনে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং প্রত্যেকটি সেক্টরকে কয়েকটি সাবজেক্টরে বিভক্ত করা হয়। বিভিন্ন জনকে বিভিন্ন দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
আজ আমরা এই আর্টিকেল থেকে মুক্তিযুদ্ধের ১১ টি সেক্টরের এলাকা ও কমান্ডারের নাম সম্পর্কে জানতে পারব।

সেক্টর গঠন কেনো করা হয়?
--১০ এপ্রিল থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পক্ষে অবস্থানকারী সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসারদের এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আলোচনা করা হয় মুক্তিযুদ্ধের জয় লাভের জন্য পরিকল্পিত যুদ্ধ প্রয়োজন।
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠনের পূর্বে স্বতঃস্ফূর্তভাবে জনসাধারণ,বাংলাদেশের পক্ষে অবলম্বনকারী বাঙালি সেনাবাহিনীর সদস্য, পুলিশ ও আনসারগণ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। একসময় দেখা যায় অনেকটা অপরিকল্পিত যুদ্ধ পরিচালিত হচ্ছে।
সুপরিকল্পিতভাবে পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে সংঘটিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং বিভিন্ন জনকে সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়।
আরো পড়ুনঃ
মুক্তিযুদ্ধের ১১ টি সেক্টর
মুক্তিযুদ্ধের সময় পুরো বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। চলুন জেনে নেই কোন সেক্টর কোথায় অবস্থিত
সেক্টর নাম্বার ০১
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনীর মুহুরী নদী পর্যন্ত ছিল এক নাম্বার সেক্টর। এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। তিনি ১১ই এপ্রিল থেকে ২৫ শে জুন পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২৮ শে জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন মেজর মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
এই সেক্টরটি ৫ টি সাব সেক্টরে বিভক্ত ছিলো। এর সদস্য সংখ্যা ছিল ১৫০০০ এর মধ্যে ২ হাজার ছিলো ই পি আর,সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর সদস্য বাকিরা ছিলো অনিয়মিত বাহিনীর সদস্য। এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল সাবরুম।
সেক্টর নাম্বার ০২
নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত কুমিল্লা, সিলেট জেলার হবিগঞ্জ, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ দুই নাম্বার সেক্টরের অধীনে ছিল। এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেক মোশাররফ। তিনি ১১ই এপ্রিল থেকে ২২শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
পরবর্তীতে মেজর এ টি এম হায়দার ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন। দুই নাম্বার সেক্টর কে ছয়টি উপ-সেক্টারে ভাগ করা হয়। ২০ হাজার গেরিলা যোদ্ধা এই সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেছে। এর মধ্যে নিয়মিত বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ছিল প্রায় ছয় হাজার। এই সেক্টরের সদর দপ্তর ছিল মেলাঘর।
সেক্টর নাম্বার ০৩
আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা, সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা, ঢাকা জেলার অংশবিশেষ ও কিশোরগঞ্জ জেলা ছিল তিন নাম্বার সেক্টর। মেজর কে এম শফিউল্লাহ 11ই এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন।
পরবর্তীতে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এখানে কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মেজর এ এন এম নুরুজ্জামান। এই সেক্টরটি নয়টি উপসেক্টরে বিভক্ত ছিল ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত এই সেক্টরের গেরিলা যোদ্ধার সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১৫ হাজারের মতো। এই সেক্টরের সদর দপ্তর ছিল সিমনা।
সেক্টর নাম্বার ০৪
সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল ও খোয়াই -শায়েস্তাগঞ্জ রেল লাইন ছাড়াও পূর্ব ও উত্তর দিকে ডাউকি সড়ক পর্যন্ত ছিল চার নম্বর সেক্টর। এই সেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন মেজর সি আর( চিত্ত রঞ্জন) দত্ত এবং ক্যাপ্টেন আব্দুর রব।
এই সেক্টরের অধীনে নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ৫০০০ গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। এই সেক্টর টি ৬ টি উপ সেক্টরে বিভক্ত ছিল। প্রথমে এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল করিমগঞ্জ পরে তা পরিবর্তন হয় মাসিমপুরে।
সেক্টর নাম্বার ০৫
সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চল সিলেট ডাউকি সড়ক হতে ময়মনসিংহ সড়ক পর্যন্ত ৫ নাম্বার সেক্টর। এই সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন মেজর মীর শওকত আলি। এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল ডাউকি নামক জায়গায়।এই সেক্টর টিও ০৬ টি উপ-সেক্টরে ভাগ করা হয়।১০০০ নিয়মিত এবং চার হাজার গেরিলা দিয়ে সেক্টরটি পরিচালিত হয়।
সেক্টর নাম্বার ০৬
রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও ছিল ছয় নাম্বার সেক্টরে। এই সেক্টরের উইং কমান্ডার ছিলেন এম খাদিমুল বাশার। এই সেক্টরে শুরুতে সদস্য সংখ্যা ৭০০ জন হলেও ১৯৭১ এর ডিসেম্বর নাগাদ এর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় পাঁচ হাজার। এই সেক্টরটিকে পাঁচটি উপসেক্টারে ভাগ করা হয়।হেডকোয়ার্টার ছিল তেতুলিয়ায়।
সেক্টর নাম্বার ০৭
দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলা ছিল ৭ নম্বর সেক্টরের অধীনে। এই সেক্টরে কমান্ডার হিসেবে মেজর নাজমুল হক ১১ এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে মেজর কাজী নুরুজ্জামান আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এই সেক্টরটি ভাগ করা হয় নয়টি উপসেক্টরে। প্রায় ৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধা এই সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন। এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল তরঙ্গপুর।
সেক্টর নাম্বার ০৮
কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুরের অধিকাংশ এবং খুলনা জেলার দৌলতপুর ও সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত এলাকা ছিল আট নাম্বার সেক্টর। ১৯৭১ সালে আগস্ট মাস পর্যন্ত মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং ১৯৭১ সালে মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এম এ মঞ্জুর এই সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
আট নাম্বার সেক্টর এর সদর দপ্তর ছিল বেনাপুলের কল্যাণী নামক জায়গায়। এই সেক্টরটি সাতটি উপসেক্টরের বিভক্ত ছিল। এই সেক্টরের ৯ হাজারের মতো মুক্তিযোদ্ধা ছিল।
সেক্টর নাম্বার ০৯
দৌলতপুর- সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনা জেলার দক্ষিণাঞ্চল,ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা ছিল ৯ নাম্বার সেক্টর। ১৯৭১ সালে ১১ই এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মেজর এম এ জলিল। এবং এই সেক্টরের অতিরিক্ত কমান্ডারের দায়িত্ব ছিলেন মেজর এম এ মঞ্জুর।
নয় নম্বর সেক্টরটি তিনটি সাবজেক্টরে বিভক্ত ছিল। এই সেক্টরে ১০০০ নিয়মিত ও ৩০০০ অনিয়মিত বাহিনী ছিল। এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল টাকি নামক স্থানে।
সেক্টর নাম্বার ১০
নৌ কমান্ডো সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদীপথ সকল এলাকা ছিল ১০ নম্বর সেক্টর। এই ক্ষেত্রে নৌ কমান্ডারগণ যখন যে এলাকায় অভিযান পরিচালনা করতেন সেই এলাকার সেক্টর প্রধান বা সেক্টর কমান্ডারগণ তাদের কমান্ড করতেন।
পাকিস্তান নৌ বাহিনীর ৮ জন বাঙালি অফিসারের সাধনায় এই সেক্টরটি গঠন করা সম্ভব হয় তারা হলেন গাজী মোহাম্মদ রাহমাতুল্লাহ, সৈয়দ মোশারফ হোসেন, আমিনুল্লাহ শেখ, আহসান উল্লাহ, এ ডব্লিউ চৌধুরী, বদিয়ুল আলম, এ আর মিয়া ও আবেদুর রহমান। এই আটজন ভারতীয় নৌবাহিনীর অধীনে সকলে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করত। এই সেক্টরের সুনির্দিষ্ট কোন কমান্ডার ছিল না।
সেক্টর নাম্বার ১১
কিশোরগঞ্জ ব্যতীত ময়মনসিংহ টাঙ্গাইল জেলা ছিল ১১ নম্বর সেক্টর। এ সেক্টরের এপ্রিল থেকে ০৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মেজর আবু তাহের এবং পরবর্তীতে ডিসেম্বর ০৪ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এম হামিদুল্লাহ এই সেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন।
এই সেক্টর সীমান্ত এলাকা বিস্তৃত ছিল টেকেরঘাট থেকে রৌমারি পর্যন্ত। এই সেক্টরটি ছয়টি উপ সেক্টর বিভক্ত ছিল। এর সদর দপ্তর ছিল মাহেন্দ্র গঞ্জের তুরা নামক জায়গায়। এখানে প্রায় সাত হাজার নিয়মিত ও নিয়মিত বাহিনী যুদ্ধ করে।
Frequently Ask Question
Q. মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কয়টি?
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টর ভাগ করা হয়।
Q. মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টরের নাম কি?
মুক্তিযুদ্ধে ১১ টি সেক্টরের নামঃ- ১ নাম্বার সেক্টর, ২ নাম্বার সেক্টর, ৩ নাম্বার সেক্টর, ৪ নাম্বার সেক্টর, ৫ নম্বর সেক্টর, ৬নাম্বার সেক্টর, ৭ নম্বর সেক্টর, ৮ নম্বর সেক্টর, ৯ নম্বর সেক্টর, ১০ নম্বর সেক্টর, ১১ নম্বর সেক্টর।
Q. মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর কমান্ডারের নাম কি কি?
১. এক নম্বর সেক্টরে কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান ও মেজর মাহমুদ রফিক।২.দুই নাম্বার সেক্টর এর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং মেজর এ টি এম হায়দার।৩. তিন নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ এবং মেজর এ এন এম নুরুজ্জামান।৪. চার নাম্বার সেক্টরে কমান্ডার ছিলেন মেজর সি আর দত্ত এবং ক্যাপ্টেন আব্দুর রব৫. ৫ নাম্বার সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলি৬. ৬ নাম্বার সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার৭. ৭ নম্বর সেক্টরে কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং মেজর কাজী নুরুজ্জামান৮. আট নাম্বার সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং মেজর এম এ মঞ্জুর৯. ৯ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ জলিল এবং মেজর এম এ মঞ্জুর১০. দশ নাম্বার সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন নৌ কমান্ডারগণ১১. ১১ নম্বর সেক্টরে কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু তাহের এবং হামিদুল্লাহ।মোট ১৭ জন সেক্টর কমান্ডার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব পালন করেন।
Q. ১১ নং সেক্টর কোথায় ছিলো?
মুক্তিযুদ্ধের ১১ নম্বর সেক্টর ছিল কিশোরগঞ্জ ব্যতীত ময়মনসিংহ টাঙ্গাইল জেলায়।
Q. সেক্টর কমান্ডার কতজন ছিলেন?
মোট ১৭ জন সেক্টর কমান্ডার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব পালন করেন।
Q. মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম এক নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল।
Q. মুক্তিযুদ্ধের সময় নোয়াখালী কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল?
মুক্তিযুদ্ধের সময় নোয়াখালী দুই নাম্বার সেক্টরের অধীনে ছিল।
Q. ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে কি হয়েছিল?
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়। যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নামে পরিচিত। ১৯৭১ সালে বাঙালিরা পাকিস্তানের হাত থেকে দেশকে স্বাধীন করে আনে আর নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্ম হয়।
Q. বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন?
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
Q. ২ নং সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
দুই নম্বর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং মেজর এ টি এম হায়দার। মেজর খালেদ মোশাররফ ১১ই এপ্রিল থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন অন্যদিকে মেজর এটিএম হায়দার ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে।
Q. ৫ নং সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
পাঁচ নাম্বারে সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলি।
শেষ কথাঃ
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ই বাঙালী অনেক টা ভেঙে পড়ে।অপরিকল্পিত যুদ্ধ শুরু হয়। পাকিস্তান এলোপাতাড়ি হামলা করতে থাকে। এই অবস্থা থেকে সুপরিকল্পিত ভাবে যুদ্ধ করার জন্য তাজউদ্দীনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ কে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে সেক্টর গঠন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে বিজয় লাভের জন্য সেক্টর গঠন ও এর কার্যকারী ভূমিকা সবসময়ই সব বাঙালি মনে রাখবে।