প্রয়োজনীয় ভ্রমণ টিপস ও ভ্রমণের সঠিক পরিকল্পনা

একটা পারফেক্ট এবং উপভোগ্য ভ্রমন সবার ই কাম্য৷ ব্যস্ততার গন্ডি পেরিয়ে কেউ একা, কেউবা  বন্ধু নিয়ে অথবা  কেউ চায় ফ্যামিলি নিয়ে কয়েকটা দিন একান্তে কাটতে। আপনার ভ্রমন উপভোগ্য করতে প্রয়োজন পূর্ব পরিকল্পনা।

ভ্রমনের পূর্বে কিছু বিষয় জেনে নিলে আপনি আপনার সময়, অর্থ ২ টার ই উত্তম ব্যবহার করতে পারবেন। আজ আমরা এই আর্টিকেল থেকে ভ্রমন বিষয়ে কিছু টিপস ও ভ্রমনের পূর্ব পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে পারবো।

প্রয়োজনীয় ট্রাভেল টিপস

ভালো ও উপভোগ্য ভ্রমণ করার জন্য আগে থেকে কিছু প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। সেই সাথে প্রয়োজন সঠিক তর্থ্য ও পরিকল্পনা। এজন্য ভ্রমণের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় টিপস নিয়ে আসলাম যেগুলো ভ্রমণে যাওয়ার আগে আপনাদের উপকারে আসবে।

ভ্রমণ টিপস ও ভ্রমণের সঠিক পরিকল্পনা

১. কোন ধরনের স্থানে যাবেনঃ 

কোথাও ভ্রমনে বের হওয়ার আগে অবশ্যই আপনাকে স্থান নির্বাচন করে বের হতে হবে। সেক্ষেত্রে যে সকল বিষয় মাথায় রাখতে হবে--- কাদের সাথে যাচ্ছেন, কোন ঋতু তে যাচ্ছেন, কয়দিনের জন্য যাচ্ছেন, আপনার বাজেট কত, সেই স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন, স্থান টি তে আপনি পূর্বে গেছেন কি, যাতায়াত মাধ্যম ইত্যাদি।

অনেক সময় দেখা সময় ও অর্থের দিকে লক্ষ্য না করে স্থান নির্বাচন করে পরবর্তী তে ট্রিপ ক্যান্সেল করতে হয়। এজন্য পাহাড়, সমুদ্র, নদী,হাওড়,ঝর্ণা যেখানেই যান অবশ্যই আগে সব বিষয় জেনে নিবেন। কোন সময়, কোন স্থানে গেলে আসল সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন এই বিষয়টি চিন্তা করলেই আপনি বুঝে যাবেন আপনার আসলে কোথায় যাওয়া উচিত৷ 

২. কখন যাবেন

বেশিরভাগ স্থান গুলা ছুটির দিনে উপচে পড়া ভিড় থাকে।  সাধারনত যাতায়াত টিকিট ও হোটেলে রুম নিয়ে ঝামেলা তে পড়তে হয়। তাই সম্ভব হলে ছুটির দিন গুলা এড়িয়ে যেতে ট্রাই করবেন। আমাদের দেশের বিভিন্ন ভ্রমন স্পট গুলা একেক সময় একেক রূপে সৌন্দর্য প্রকাশ করে।

তাই ঝর্না দেখতে হলে আপনাকে জুন-জুলাই মাস নির্বাচন করতে হবে। আপনি যদি পাহাড় বা সমুদ্র দেখতে চান তাহলে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী সময় টা বেছে নিতে পারেন। আর যদি আপনি হাওড়ে ভেসে সুন্দর সময় কাটাতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে শীতের শেষে প্ল্যান করতে হবে।

শিমুল বাগান,সাজেক এই ধরনের স্থানের জন্য ভরা শীত উপযুক্ত সময়।তবে অতিরিক্ত গরমে  ট্রেকিং ট্রিপ এড়িয়ে চলা উত্তম।ট্রেকিং ট্রিপের জন্য নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস বেশ ভালো সময়।

৩. কিভাবে যাবেন

ঘোরাঘুরি তে যানবাহন বা পরিবহন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি কোন ধরনের যানবাহন ব্যবহার করবেন তা আপনার সময় ও বাজেটের উপর নির্ভর করে নির্বাচন করবেন। ভ্রমন স্থানে কি কি যানবাহন পাওয়া যাবে আগে থেকে খোজ রাখুন।

ট্রিপের প্ল্যানিং আগে থেকে কনফার্ম থাকলে টিকিট সংগ্রহ করে রাখুন।কারন শেষ মুহুর্তে টিকিট পাওয়া ভোগান্তির বিষয়। সম্ভব হলে যাওয়ার সময় ই ফেরার টিকিট সংগ্রহ করে রাখুন।ট্রেনে যাতায়াত করা সম্ভব হলে ট্রেন ব্যবহার করা ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে।

তবে মনে রাখবেন ট্রিপের থেকে আপনার জীবন বেশি মূল্যবান এজন্য নিজের সুরক্ষার কথা আগে মাথায় রাখবেন এবং সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিবেন।

৪. কাদের সাথে যাবেন

কাদের সাথে ট্রিপে যাচ্ছেন এই বিষয়টি মাথায় রেখে স্থান নির্বাচন করুন। বয়স্ক কেউ সাথে থাকলে ট্রেকিং ট্রিপ এড়িয়ে চলুন। বন্ধু দের সাথে ট্রিপে যাওয়ার  পূর্বে সবাই মিলে আগে ট্রিপ সম্পর্কে বিস্তারিত  আলোচনা করে নিবেন।

ফ্যামিলি নিয়ে ট্রিপে গেলে অবশ্যই ট্রিপের আগে নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন হয়ে নিবেন। ট্রিপে সাথে বাচ্চা থাকলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবেন। কোন ধরনের ট্রিপের জন্য কেমন টিমমেট ভালো হবে এটা মাথায় রেখে টিমমেট নির্বাচন করবেন।

৫. বাজেট

ট্রিপে কেমন খরচ হবে তা আগে থেকেই হিসাব করে ফেলুন। প্রয়োজন হলে ইউটিউব, ফেসবুক, অনলাইন ব্লগ অথবা ধারনা আছে এমন কোনো ব্যাক্তির থেকে জেনে নিতে পারেন। তাহলে ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে।

সব খরচ লিখে হিসাব করে সম্ভব হলে সাথে সামান্য কিছু টাকা বেশি রাখবেন। দেশের মধ্যে ভ্রমনের ক্ষেত্রে কোথায় কত খরচ হবে জেনে সে অনুযায়ী খরচ করার চেষ্টা করুন আর সামান্য বাড়তি কিছু টাকা গোপনে রেখে দিন।

দেশের বাইরে ভ্রমন করলে ডলার এন্ডোস করিয়ে নিবেন অথবা সাথে প্রিপেইডকার্ড/মাল্টি কারেন্সী কার্ড রাখতে পারেন। ইন্ডিয়া ভ্রমন করলে রুপিতে কনভার্ট করেও সঙ্গে নিতে পারবেন।
 

কিভাবে সঠিক প্ল্যান করবেনঃ

ভ্রমনের ক্ষেত্রে সময় বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোথায় কোথায় কিভাবে গেলে কম সময়ে অনেক গুলা জায়গা ঘুরতে পারবেন সেটা আগে থেকে প্ল্যান করে নেওয়া উত্তম। প্রয়োজন হলে বাস/ট্রেন/লঞ্চের সময় কে মাথায় রেখে একটি রুট প্ল্যান করে নিতে পারেন।

কোন স্থানে কি কি দেখার আছে, ঘুরে দেখতে কত সময় লাগতে পারে,কোন সময় খুলে,কোন সময় বন্ধ হয়, তার নিকটবর্তী দর্শনীয় কোনো স্থান আছে কি না এগুলা আগেই জেনে প্ল্যান করে নিন। প্রয়োজনে একটা খসড়া তৈরি করে নিয়ে সাথে রাখতে পারেন।

১. নির্ধারিত রুট প্ল্যান

কোথাও যাওয়ার আগে নিরাপদ, সময় সাশ্রয়ী রুট নির্ধারণ করা জরুরি। কোন স্থান ভ্রমন করবেন সেই স্থানের রাস্তা সম্পর্কে আগে থেকে ধারণা নিয়ে রাখুন। ম্যাপ দেখে সহজ রুট টি নির্বাচন করে নিলে ভালো করবেন।

২. ব্যাগ গোছানো

কোথায় যাবেন,কতদিনের জন্য যাবেন,কোন ঋতুতে যাবেন এসব বিষয় মাথায় রেখে ব্যাগ গুছাতে হবে।শীত প্রধান স্থানে গেলে অবশ্যই শীতের পোশাক সাথে নিবেন।সমুদ্র গেলে হালকা পোশাক।মেয়েরা ছবি তোলার জন্য রঙিন পোশাক সাথে নিতে পারেন। তবে অবশ্যই ওজনে হালকা হবে এমন পোশাক নির্বাচন করবেন।

এছাড়াও ব্রাশ, পেস্ট, সানগ্লাস, পানি, টিস্যু, শুকনা খাবার নিতে পারেন। অতিরিক্ত পোশাক বা অপ্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে ব্যাগ ভারি করবেন না। ব্যাগ গোছানো নিয়ে আমাদের একটি আর্টিকেল আছে চাইলে সেখান থেকে সম্পূর্ণ ধারনা নিতে পারেন।

৩. প্রয়োজনীয় ডিভাইস

মোবাইল, চার্জার,পাওয়ার ব্যাংক,বাইনোকুলার, ড্রোন,ক্যামেরা ইত্যাদি ডিভাইস গুলা সাথে নিতে পারেন। তবে অবশ্যই যাওয়ার সময় সব গুলা ফুল চার্জ করে নিবেন।

সম্ভব হলে সাথে একটি ছোট মাল্টিপ্লাগ ও কনভার্টার রাখতে পারেন। ডিভাইস গুলা কে পানি থেকে বাঁচাতে সাথে পলিথিন রাখতে পারেন।

৪. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

বেড়াতে যাওয়ার সময় চেষ্টা করবেন  জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সঙ্গে রাখতে। সম্পূর্ণ ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার লিখে একটি কাগজ ব্যাগে রেখে দিতে পারেন। বিবাহিত হলে এক কপি কাবিননামা সাথে রাখুন।

বিদেশে ভ্রমনের ক্ষেত্রে অবশ্যই পাসপোর্ট ভিসা সাথে রাখুন। কোনো স্থানে প্রবেশের অনুমতি প্রয়োজন হলে সাথে অনুমতি পত্র রাখবেন, বাইক/প্রাইভেট কারে ভ্রমনের সময় সাথে ড্রাইভিং লাইসেন্স রাখতে হবে। 

৫. প্রয়োজনীয় ওষুধ

শারীরিক কোনো সমস্যা থাকলে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী পর্যাপ্ত ওষুধ সাথে রাখুন। যাদের এলার্জি বা ব্লাড প্রেশার আছে অবশ্যই সাথে প্রয়োজনীয় ওষুধ নিয়ে নিবেন। এ্যাজমা সমস্যা থাকলে ইনহেলার সাথে রাখবেন।

এছাড়াও প্যারাসিটামল, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ, ওরাল স্যালাইন, তুলা-গজ, পেইন কিলার বাম/স্প্রে সাথে রাখবেন।

৬. খাওয়া দাওয়া

ভ্রমনের সময় সাথে অবশ্যই  শুকনা খাবার ও পানি রাখবেন।যে স্থানে ভ্রমন করবেন আগে থেকে জেনে নিন ওখানের ঐতিহ্যবাহী কোনো খাবার আছে কি। সম্ভব হলে ওই খাবার টি গিয়ে ট্রাই করে দেখতে পারেন। শীতের সময় হলে সাথে গরম পানি নেওয়া ফ্ল্যাক্স রাখতে পারেন।

দুর্গম কোনো অঞ্চল থেকে প্যাকেটজাত খাবার নিলে অবশ্যই এক্সপায়ার ডেট দেখে নিবেন। ভ্রমন ও ট্রেকিং এর পূর্বে ভারি খাবার এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করবেন। অতিরিক্ত তেল চর্বি জাতীয় খাবার ভ্রমনে না খাওয়াই উত্তম। 

৭. রাত যাপন

কোথাও রাতে থাকার আগে সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে জেনে নিবেন। এমন স্থান রাতে থাকার জন্য নির্বাচন করবেন যেখান থেকে লোকালয় দুরে নয় এবং রাতে খাবার জন্য আশেপাশে  ভালো ব্যবস্থা থাকবে। সম্ভব হলে যাতায়াত সুবিধা আছে এমন স্থানে রাত যাপন করবেন।

৮. ভ্রমন সর্তকতা

ভ্রমনের সময় অবশ্যই কিছু সর্তকতা অবলম্বন করবেন। খুব সেনসেটিভ তথ্য অপরিচিত কারো সাথে শেয়ার করবেন না। টিম মেট দের প্রতি হেল্পফুল মনোভাব রাখবেন। নিজেদের ব্যবহার করা প্লাস্টিক, পলিথিন, ওয়ানটাইম প্লেট+গ্লাস এখানে ওখানে ফেলা থেকে বিরত থাকবেন।

নিজের জিনিসপত্রের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিজেই নিশ্চিত করে নিবেন। টাকা, মোবাইল সাবধানে রাখবেন। সাথে ফিমেল পার্টনার থাকলে একটু বাড়তি সর্তকতার সাথে থাকুন।

Frequently Ask Question

Q. মেয়েদের ঘুরতে যাওয়ার পোশাক?

১. অবশ্যই ওজনে হালকা আরামদায়ক পোশাক হতে হবে।
২.সমুদ্র ভ্রমনের জন্য রঙিন পোশাক সিলেক্ট করলে ভালো হয়। সেক্ষেতে লাল,নীল শাড়ি বা স্কার্ট ব্যবহার করতে পারবেন। অতিরিক্ত আলখেল্লা পোশাক এক্ষেত্রে এড়িয়ে চলতে পারেন।
৩. ট্রেকিং ট্রিপের জন্য টাউজার সাথে সর্ট টপস ব্যবহার করতে পারেন। সুতি কাপড় এই সময় এড়িয়ে চলা ভালো। এমন কাপড় নির্বাচন করবেন যেটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। 
৪. বরফ আছে এমন স্থান ভ্রমনে অবশ্যই লং মোজা নিবেন হাত ও পা এর জন্য।  এখানে চাইলে আপনি ল্যাভেন্ডার কালার টা নিতে পারবেন।ভালো মানাবে। লাল ও সুন্দর হবে।

Q. ভ্রমণের জন্য সেরা ১০ টিপস?

১. সময় নিয়ে ঠান্ডা মাথায় ভ্রমন পরিকল্পনা করুন।
২. অসুস্থ অবস্থায় ভ্রমন করা থেকে বিরত থাকুন।
৩. প্রয়োজনীয় নাম্বার গুলা ফোনে রাখার পাশাপাশি একটি কাগজে লিখে রাখুন।
৪. অবশ্যই কোথায় যাচ্ছেন পরিবারের কাউকে জানিয়ে রাখবেন সম্ভব হলে লোকেশন শেয়ার করে রাখবেন।
৫. অপরিচিত কারো দেওয়া খাবার খাবেন না।
৬. পরিকল্পিত বাজেটের বাইরে বাড়তি ব্যাকআপ কিছু বাজেট রাখুন।
৭. অবশ্যই সাথে মেডিসিন রাখবেন।
৮. পানির বোতল সবসময়ই সাথে রাখবেন।
৯. পোশাক নির্বাচন বিষয়ে সচেতন থাকবেন।
১০. ভ্রমন স্থানের নিরাপত্তা সম্পর্কে সম্পূর্ণ না জেনে ভ্রমন করা থেকে বিরত থাকুন।

Q. একা ভ্রমণের জন্য কোন বিষয় গুলো জানা প্রয়োজন?

১. একা ভ্রমনের ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে আত্মবিশ্বাসী হতে হবে।নিজের উপর সম্পূর্ণ ভরসা রাখতে হবে।
২. ভ্রমনের স্থান সম্পর্কে ধারনা রাখতে হবে।
৩. রাস্তা ও যাতায়াত বাহন সম্পর্কে আগে থেকে ধারণা রাখতে হবে।
৪. সম্ভব হলে পরিবারের কারো সাথে লোকেশন শেয়ার করে রাখবেন। 
৫. নিজের নিরাপত্তার জন্য পেপার স্প্রে সাথে রাখতে পারেন।
৬. একা আছেন এই বিষয়টি গোপন রাখুন।
৭. যেকোন বিপদ আসলে সামাল দেওয়ার মানুষিক প্রস্তুতি রাখুন।

Q. ভ্রমণের সঠিক পরিকল্পনা কিভাবে করবেন?

১. একটি পারফেক্ট রুট নির্বাচন করুন।
২. ভ্রমনের জন্য টিকিট আগে থেকে বুক করে রাখুন।
৩. বিশ্রাম বা রাত যাপন কোথায় করবেন সে বিষয়ে আগে থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে সব ব্যবস্থা করে রাখুন।
৪. যে স্থানে যাবেন তার স্থানীয় গাড়ি ভাড়া গুলা জেনে রাখুন।
৫. আপনার বাজেট অনুযায়ী পরিকল্পনা করুন।
৬. কোথায় খাবেন আর কি ধরনের খাবার খাবেন আগে থেকে সিলেক্ট করে রাখুন।
৭. যেকোন সহায়তা প্রয়োজন হলে পাশে পাবেন এমন কারো সাথে যোগাযোগ রাখুন।
৮. ফেরার টিকিট আগে থেকে সংগ্রহ করে রাখুন।

শেষ কথাঃ

পূর্বে সব বিষয় জেনে নিলে  আপনি ভ্রমন চলাকালীন সময়ে অতিরিক্ত ভোগান্তি এড়িয়ে চলতে পারবেন। আশা করি এই ট্রাভেল টিপস আপনাকে ভ্রমন পরিকল্পনা তে সহায়তা করবে। আপনার ভ্রমন সুন্দর হোক। ভ্রমন বিষয়ে কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে কমেন্ট করতে পারবেন।আমরা চেষ্টা করবো সমাধান দিতে।
মোঃ আল আমিন

একজন প্যাশনেট ব্লগার ও কন্টেন্ট রাইটার। আমি অবসর সময়ে প্রযুক্তি বিষয়ে লেখালেখি করতে ভালোবাসি।

নবীনতর পূর্বতন