আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষের ভোটার আইডি কার্ড কিংবা জাতীয় পরিচয় পত্র ভুল তথ্য দেওয়া থাকে যেগুলো সংশোধনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু অনেকেরই জানা নেই ভোটার আইডি কার্ড তথ্য কিভাবে সংশোধন করতে হয়? সংশোধন করতে কত টাকা লাগে এবং সংশোধন ফি কিভাবে পরিশোধ করতে হয়।
আজকের পোস্টে আমি আপনাদের জানানোর চেষ্টা করব ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের ফি কত। কি কি ধরনের সংশোধন করতে কি রকম টাকা লাগতে পারে এবং আইডি কার্ড সংশোধন ফি কিভাবে পরিশোধ করবেন।
আপনার যদি ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য ভুল থাকে এই পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন আশা করি সহজে সমাধান করতে পারবেন।
আপনার যদি ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য ভুল থাকে এই পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন আশা করি সহজে সমাধান করতে পারবেন।

কেন ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করবেন?
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের প্রধান প্রয়োজনীয়তা হলো ভুলতথ্য সংশোধন করে নেওয়া। অনেকের ভোটার আইডি কার্ডে নিজের নাম কিংবা বাবা-মায়ের নাম ভুল থাকে। কিংবা অনেক সময় আইডি কার্ডের নাম সার্টিফিকেটে নামের সাথে মিল থাকেনা। এজন্য অনেক জায়গায় অনেক ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে হয়। এসব সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য সংশোধন করে নেয়া উচিত।ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি
ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য সংশোধন ফি ভ্যাট সহ ২৩০ টাকা। তাছাড়া জাতীয় পরিচয় পত্রের অন্যান্য সংশোধনের ফি ১১৫ টাকা। এবং উভয় ধরনের সংশোধনের জন্য মোট ফি ৩৪৫ টাকা। বিকাশ বা রকেট এর মাধ্যমে ঘরে বসেই ফি প্রদান করা সম্ভব। নিচে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের ফি এর তালিকা প্রদান করা হলো
| সংশোধনের ধরণ | টাকার পরিমান | ১৫% ভ্যাট | মোট টাকা |
|---|---|---|---|
| মৌলিক তথ্য সংশোধন | ২০০ টাকা | ৩০ টাকা | ২৩০ টাকা |
| অন্যান্য তথ্য সংশোধন | ১০০ টাকা | ১৫ টাকা | ১১৫ টাকা |
| উভয় তথ্য সংশোধন | ৩০০ টাকা | ৪৫ টাকা | ৩৪৫ টাকা |
| দ্বিতীয়বার মূল তথ্য সংশোধন | ৩০০ টাকা | ৪৫ টাকা | ৩৪৫ টাকা |
| তৃতীয়বার মূল তথ্য সংশোধন | ৫০০ টাকা | ৭৫ টাকা | ৫৭৫ টাকা\ |
কি ধরণের আইডি কার্ড সংশোধন ফি কত?
ভোটার আইডি কার্ডের ভুল সংশোধন ফি ২৩০ টাকা এবং অন্যান্য তথ্য সংশোধন ফি ১১৫টাকা। চলুন জেনে নেওয়া যাক ভোটার আইডি কার্ডের মূল তথ্য সংশোধন বলতে কোনগুলো বোঝানো হয়েছে এবং অন্যান্য তথ্য সংশোধন বলতে কোনগুলোকে বোঝানো হয়েছে।ভোটার আইডি কার্ডের মূল তথ্য সংশোধন ফি
ভোটার আইডি কার্ডের উপর সকল তথ্য প্রিন্ট করা থাকে সেগুলো আইডি কার্ডের মৌলিক তথ্য সমূহ। ভোটার আইডি কার্ডের মূল তথ্য সংশোধনের ফি ১৫% ভ্যাটসহ ২৩০ টাকা। তবে এটি প্রথমবার সংশোধনের জন্য প্রযোজ্য। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংশোধনের জন্য ফিয়ের পরিমাণ বাড়বে। যেমনঃ
- প্রথমবার সংশোধনের জন্য ২৩০ টাকা
- দ্বিতীয়বার সংশোধনের জন্য ৩৪৫ টাকা
- তৃতীয়বার সংশোধনের জন্য ৫৭৫ টাকা
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য এই নির্ধারিত ফি ছাড়া আর কোন ধরনের টাকা-পয়সার জমা করার প্রয়োজন নেই।
ভোটার আইডি কার্ডের মূল তথ্য সমূহগুলো হলোঃ
- নাম বাংলা ও ইংরেজিতে
- পিতা মাতার নাম
- জন্ম তারিখ
- রক্তের গ্রুপ
- জন্মস্থান
- নিজের ছবি ও স্বাক্ষর
- বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা
- জন্ম নিবন্ধন নাম্বার
- ও লিঙ্গ
ভোটার আইডি কার্ডের অন্যান্য তথ্য সংশোধন ফি
ভোটার আইডি কার্ডের সকল তথ্য প্রিন্ট করা থাকে না কিন্তু মূল সার্ভারে জমা থাকে সেগুলো আইডি কার্ডের অন্যান্য তথ্য। ভোটার আইডি কার্ডের অন্যান্য তথ্য সংশোধনের ১৫% ভ্যাট সহ ১১৫ টাকা।ভোটার আইডি কার্ডের অন্যান্য তথ্য সমূহের মধ্যে রয়েছেঃ
- স্বামী/স্ত্রীর নাম ও তথ্য
- পেশা
- সনাক্তকরণ চিহ্ন
- শিক্ষাগত যোগ্যতা
- টিন নাম্বার
- ড্রাইভিং লাইসেন্স নাম্বার
- পাসপোর্ট নাম্বার
- ধর্ম
- ও মোবাইল নাম্বার
ভোটার আইডি কার্ডের ফি কিভাবে হিসাব করবেন?
আপনার ভোটার আইডি কার্ডে কোন ভুল থাকলে সেটি সংশোধন করতে কত টাকা ফি প্রয়োজন হবে তা অনলাইনের মাধ্যমে চেক করতে পারবেন। এজন্য নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে।আপনি চাইলে https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/fees এই লিংকে সরাসরি প্রবেশ করে আপনার NID নম্বর এবং সংশোধনের ধরন সিলেট করে নিচে হিসাব করুন বাটনে ক্লিক করলে কত টাকা ফি তা জানতে পারবেন
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি কিভাবে জমা দিবেন?
ভোটার আইডি কার্ডের সংশোধন ফি সহজেই আপনার বিকাশ কিংবা রকেট থেকে জমা দিতে পারবেন। ফি পরিশোধ করার জন্য বিকাশ কিংবা রকেট অ্যাপে লগিন করতে হবে।এরপর পে বিল > সরকারি ফি > NID Service এই অপশন গুলো সিলেক্ট করতে হবে। এবং আবেদনের ধরন সিলেট করে এনআইডি নাম্বার দিয়ে ফি পরিশোধ করতে হবে
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন পড়ে। আপনি কি ধরণের তথ্য সংশোধন করবেন তার ওপরে ঘরে কি ধরনের কাগজপ জানিনাত্র লাগতে পারে। আমি নিচে আইডি কার্ডে কি ধরনের সংশোধনের জন্য কি কি কাগজপত্র লাগবে তা তালিকার প্রদান করছিঃ
১। সংশোধনের ধরনঃ ভোটার আইডি কার্ড নিজের নাম পিতার নাম মাতার নাম স্ত্রীর নামের বানান সংশোধন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
৪। সংশোধনের ধরনঃ ভোটার আইডি কার্ডের স্বামীর নাম সংযুক্ত করা কিংবা বাদ দেওয়া।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
৬। সংশোধনের ধরনঃ ভোটার আইডি কার্ডের ঠিকানা (গ্রাম/রাস্তা/ডাকঘর) সংশোধন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
৭। সংশোধনের ধরনঃ ভোটার আইডি কার্ডের ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
নির্বাচন অফিসের ওয়েবসাইটের লিংক ভিজিট করার পর আপনার একাউন্টে লগইন করে নিতে হবে। যদি একাউন্ট না থাকে তবে এনআইডি নম্বর দিয়ে নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে।
নিচে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের নিয়মগুলো ধাপে ধাপে বলার চেষ্টা করছিঃ
১। সংশোধনের ধরনঃ ভোটার আইডি কার্ড নিজের নাম পিতার নাম মাতার নাম স্ত্রীর নামের বানান সংশোধন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
- ডিজিটাল বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ
- যেকোন বোর্ড পরীক্ষায় (জেএসসি/এসএসসি/এইচএসসি) প্রাপ্ত সনদপত্র
- পাসপোর্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স নিকাহনামা এমপিও শীট ইত্যাদি প্রয়োজন পড়তে পারে
- চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রদানের প্রত্যয়ন প্রয়োজন পড়তে পারে
২। সংশোধনের ধরনঃ ভোটার আইডি কার্ডের নাম পিতা মাতার নাম স্ত্রীর নামের বানান পরিবর্তন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
- ডিজিটাল বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ।
- যেকোনো বোর্ড পরীক্ষার সনদপত্র।
- জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কতৃক দেওয়া এভিডেভিড।
- পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স/নিকাহ্ নামা প্রয়োজন অনুযায়ী লাগতে পারে।
- পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি।
- পিতা সকল সন্তানদের জন্মের ক্রমানুযায়ী নামও ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর উল্লেখপূর্বক ওয়ারিশন প্রত্যয়ন পত্র।
- ভোটার আইডি কার্ডের নাম/পিতা-মাতার নাম/স্ত্রীর নাম পরিবর্তন করার কারণ লিখিতভাবে উল্লেখ করতে হবে।
- চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে অফিস প্রধানের প্রত্যায়ন প্রদান করতে হবে।
- উপজেলা নির্বাচন অফিসার কর্তৃক অন্যান্য দলিলপত্র প্রদান করা লাগতে পারে।
৩। সংশোধনের ধরনঃ ভোটার আইডি কার্ডের জন্ম তারিখ পরিবর্তন/সংশোধন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
- ডিজিটাল বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ।
- যেকোন বোর্ড পরীক্ষায় (জেএসসি/এসএসসি/এইচএসসি) প্রাপ্ত সনদপত্র।
- জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কতৃক এভিডেভিড।
- পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স/নিকাহ্ নামা ইত্যাদি প্রয়োজন অনুযায়ী লাগতে পারে।
- পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি।
- পিতা সকল সন্তানদের জন্মের ক্রমানুযায়ী নামও ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর উল্লেখপূর্বক ওয়ারিশন প্রত্যয়ন পত্র।
- ভোটার আইডি কার্ডের জন্ম তারিখ পরিবর্তনের কারনের লিখিত উল্লেখ করতে হবে।
- চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে অফিস প্রধানের প্রত্যয়ন লাগতে পারে।
- উপজেলা নির্বাচন অফিসার কতৃক অন্য কোনো দলিলপত্র লাগতে পারে।
৪। সংশোধনের ধরনঃ ভোটার আইডি কার্ডের স্বামীর নাম সংযুক্ত করা কিংবা বাদ দেওয়া।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
- নিকাহনামা/তালাকনামা/মৃত্যু সনদ ক্ষেত্র বিশেষে প্রয়োজন পড়তে পারে।
- স্বামী-স্ত্রীর ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগতে পারে।
৫। সংশোধনের ধরনঃ ভোটার আইডি কার্ডের রক্তের গ্রুপ সংশোধন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
- প্যাথলজিক্যাল রিপোর্ট চিকিৎসক পত্র প্রয়োজন পড়বে।
৬। সংশোধনের ধরনঃ ভোটার আইডি কার্ডের ঠিকানা (গ্রাম/রাস্তা/ডাকঘর) সংশোধন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
- অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ।
- নাগরিকত্ব সনদ প্রয়োজন পরবে।
৭। সংশোধনের ধরনঃ ভোটার আইডি কার্ডের ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
- ছবি বা স্বাক্ষর পরিবর্তনের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও যথাযথ কারণ উল্লেখ করতে হবে এবং সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে।
৮। সংশোধনের ধরনঃ পাসপোর্ট নাম্বার বা ড্রাইভিং লাইসেন্স নাম্বার পরিবর্তন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
- পরিবর্তনের স্বপক্ষে কারণ উল্লেখ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পত্র প্রয়োজন পরবে।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের নিয়ম | NID Correction
বর্তমানে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের নিয়মের পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইন করণ করা হয়েছে। এজন্য ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য প্রথমে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে।নির্বাচন অফিসের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটঃ https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/
নির্বাচন অফিসের ওয়েবসাইটের লিংক ভিজিট করার পর আপনার একাউন্টে লগইন করে নিতে হবে। যদি একাউন্ট না থাকে তবে এনআইডি নম্বর দিয়ে নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে।
নিচে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের নিয়মগুলো ধাপে ধাপে বলার চেষ্টা করছিঃ
স্টেপ ১ঃ প্রথমে Bangladesh NID Application ওয়েবসাইটে ভিজিট করে আপনার একাউন্টে লগইন করুন। একাউন্ট খোলা না থাকলে এনআইডি কার্ডের নাম্বার দিয়ে এখন তৈরি করে নিতে হবে।
স্টেপ ২ঃ আপনার একাউন্টে লগিন করার পর আপনার সামনে একটি ড্যাশবোর্ড দেখানো হবে। ড্যাশবোর্ড থেকে আপনি প্রোফাইল একটা অপশন দেখতে পাবেন। প্রোফাইল অপশনটিতে ক্লিক করে আপনার প্রোফাইলে চলে যেতে হবে।
স্টেপ ৩ঃ প্রোফাইল অপশনে যাওয়ার পর এডিট অপশনে ক্লিক করে বল বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে পরে পেজে নিয়ে যাবে।
স্টেপ ৪ঃ পরবর্তী পেজে যাবার পর আপনি যে সকল তথ্য সংশোধন করতে চান সেই তথ্যগুলো কে টিক দিতে হবে। টিক দেওয়া হলে সেই তথ্যগুলো এডিট করতে পারবেন। তথ্যগুলো এডিট করার পর পরবর্তী ধাপে পুনরায় চেক করতে হবে। এবং সবশেষে পেমেন্ট ও সব কাগজপত্র ইত্যাদি জমা করে নিশ্চিত করতে হবে।
আবেদন করার পর আবেদন ফরম ডাউনলোড করে আপনার কাছে রেখে দিবেন। আপনার তথ্যসমূহ যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদিত হলে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করে দেওয়া হবে।
ভোটার আইডি কার্ডের সংশোধন প্রক্রিয়াটি অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে পারবেন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করে নতুননিয়ম অনুযায়ী আইডি কার্ড সংশোধন করে নিতে পারবেন।
স্টেপ ২ঃ আপনার একাউন্টে লগিন করার পর আপনার সামনে একটি ড্যাশবোর্ড দেখানো হবে। ড্যাশবোর্ড থেকে আপনি প্রোফাইল একটা অপশন দেখতে পাবেন। প্রোফাইল অপশনটিতে ক্লিক করে আপনার প্রোফাইলে চলে যেতে হবে।
স্টেপ ৩ঃ প্রোফাইল অপশনে যাওয়ার পর এডিট অপশনে ক্লিক করে বল বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে পরে পেজে নিয়ে যাবে।
স্টেপ ৪ঃ পরবর্তী পেজে যাবার পর আপনি যে সকল তথ্য সংশোধন করতে চান সেই তথ্যগুলো কে টিক দিতে হবে। টিক দেওয়া হলে সেই তথ্যগুলো এডিট করতে পারবেন। তথ্যগুলো এডিট করার পর পরবর্তী ধাপে পুনরায় চেক করতে হবে। এবং সবশেষে পেমেন্ট ও সব কাগজপত্র ইত্যাদি জমা করে নিশ্চিত করতে হবে।
আবেদন করার পর আবেদন ফরম ডাউনলোড করে আপনার কাছে রেখে দিবেন। আপনার তথ্যসমূহ যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদিত হলে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করে দেওয়া হবে।
ভোটার আইডি কার্ডের সংশোধন প্রক্রিয়াটি অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে পারবেন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করে নতুননিয়ম অনুযায়ী আইডি কার্ড সংশোধন করে নিতে পারবেন।
Frequently Ask Question
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি কত?
ভোটার আইডি কার্ডের মূল তথ্য সংশোধন ফি ২১৫ টাকা ও অন্যান্য তথ্য সংশোধন ফি ১১৫ টাকা। এবং উভয় ধরণের তথ্য সংশোধনের ফ্রি ৩৪৫ টাকা। দ্বিতীয়বার মূল তথ্য সংশোধন ফি ৩৪৫ টাকা এবং তৃতীয়বার মূল সংশোধন ফি ৫৭৫ টাকা।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি কিভাবে জমা দিব?
বিকাশ কিনব রকেটের মাধ্যমে সহজেই নিচ থেকে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি জমা দেওয়া যাবে। এজন্য বিকাশ কিংবা রকেট অ্যাপে প্রবেশ করে পে বিল > সরকারি ফি > NID Service অপশন সিলেক্ট করে পেমেন্ট করতে পারবেন।
ভোটার আইডি কার্ডের মূল তথ্য সংশোধন ফি ২১৫ টাকা ও অন্যান্য তথ্য সংশোধন ফি ১১৫ টাকা। এবং উভয় ধরণের তথ্য সংশোধনের ফ্রি ৩৪৫ টাকা। দ্বিতীয়বার মূল তথ্য সংশোধন ফি ৩৪৫ টাকা এবং তৃতীয়বার মূল সংশোধন ফি ৫৭৫ টাকা।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি কিভাবে জমা দিব?
বিকাশ কিনব রকেটের মাধ্যমে সহজেই নিচ থেকে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি জমা দেওয়া যাবে। এজন্য বিকাশ কিংবা রকেট অ্যাপে প্রবেশ করে পে বিল > সরকারি ফি > NID Service অপশন সিলেক্ট করে পেমেন্ট করতে পারবেন।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের নিয়ম?
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের নিয়মের পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইন করণ করা হয়েছে। এজন্য আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করে সংশোধন করে নিতে পারবেন।
নির্বাচন অফিসের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটঃ https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের নিয়মের পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইন করণ করা হয়েছে। এজন্য আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করে সংশোধন করে নিতে পারবেন।
নির্বাচন অফিসের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটঃ https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/
শেষ কথাঃ
আজকের পোস্টে আমি আপনাদের সাথে ভোটার আইডি কার্ডে কোনো ধরনের তথ্য ভুল হলে সেগুলো সংশোধনের ফি কত এবং কিভাবে ফি প্রদান করতে পারবেন সেগুলো নিয়ে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করেছি।আশা করি পুরো পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়লে ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য সংশোধন করতে আর কোন সমস্যায় পড়তে হবে না।