ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের সুযোগ সুবিধা


ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড ( DBBL) হলো  বাংলাদেশ এবং  নেদারল্যান্ড এর  একত্রে উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত একটি  ব্যাংক। এটি এম. সাহাবুদ্দিন আহমদ {বাংলাদেশ }ও উন্নয়নশীল দেশসমূহের জন্য  ডাচ্ আর্থিক সংস্থা নামক নেদারল্যান্ড এর একটি কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা পায় এই ডাচ বাংলা ব্যাংক টি। এই ব্যাংক টি যাত্রা শুরু করে ১৯৯৬ সাল থেকে।

ডাচ্ বাংলার একাউন্ট সমূহঃ
ডাচ্ বাংলা ব্যাংকে একজন গ্রাহকের প্রয়োজনে ২ ধরনের একাউন্ট সুবিধা সেবা চালু আছে। সেভিংস একাউন্ট ও স্টুডেন্ট একাউন্ট।  আলাদা একাউন্ট অনুযায়ী গ্রাহক আলাদা সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারবে। ডাচ বাংলা ব্যাংক বেশ কয়েক ধরনের সেভিংস একাউন্ট সুবিধা দিয়ে থাকে৷ যে ৭ ধরনের সেভিংস একাউন্ট সেবা চালু আছে ---
1.সেভিংস ডিপোজিট প্লাস একাউন্ট
2. সেভিংস ডিপোজিট একাউন্ট -Standard
3.  এক্সেল সেভিংস একাউন্ট
4. ইন্টারেস্ট ফ্রী সেভিংস ডিপোজিট একাউন্ট
5. কারেন্ট ডিপোজিট একাউন্ট  
6.  DBBL স্কুল সেভার একাউন্ট  
7. নোটিস ডিপোজিট একাউন্ট

সেভিংস ডিপোজিট প্লাস একাউন্টঃ

সেভিংস ডিপোজিট একাউন্ট -Standard:
সাধারনত সবাই  এই একাউন্ট টি  করে থাকে। এই ধরনের একাউন্টের জন্য আপনাকে মিনিমাম  ৫০০ টাকা  জমা করার মাধ্যমে  একটি একাউন্ট খুলতে হবে।

এক্সেল সেভিংস একাউন্টঃ
 
ইন্টারেস্ট ফ্রী সেভিংস ডিপোজিট একাউন্টঃ
এই ধরনের একাউন্ট প্রধানত যারা সুদ/ মুনাফা নিয়ে  ব্যাংকিং করতে চান না তাদেরকে উদ্দ্যেশ্য করে চালু করা হয়েছে।  এই একাউন্ট টি  খুলতে হলে শুরুতে ব্যাংকে মিনিমাম  ৫০০০ টাকা ডিপোজিট করতে হবে।

DBBL স্কুল সেভার একাউন্টঃ
DBBL School Savers Account  টি   Student Account এর মতো ই । স্কুল ছাত্র ছাত্রীদের জন্য  অন্য একাউন্ট খোলার সুযোগ না থাকায়  তাদের জন্য এই একাউন্ট টি আলদা ভাবে চালু করা হয়েছে।  সর্বনিম্ন  ১০০  টাকা জমা দিয়ে এই একাউন্ট টি চালু করা যাবে।


সেভিংস একাউন্ট খোলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
১. একাউন্ট খুলবেন যিনি ওনার ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
২.জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি।
৩.ইউটিলিটি বিলের কপি।( বিদ্যুৎ /পানি)
৪.নমিনির ১ কপি ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের( NID) ১ টি কপি।
৫. ট্রেড লাইসেন্স (যদি ব্যবসায়ী হয়)।
 এছাড়াও প্রয়োজনে অন্যান্য কাগজপত্র প্রয়োজন  হতেও পারে। সেক্ষেত্রে ব্যাংক কর্তপক্ষ আপনাকে সঠিক তথ্য জানিয়ে দিবে।


ডাচ বাংলা ব্যাংকের সেভিংস একাউন্ট এর সুবিধা সমূহঃ
১.ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা রয়েছে
২. ডেভিট অথবা ক্রেডিট কার্ড নেওয়া যায়।
৩. ঋণ সেবা রয়েছে ।
৪. তুলনামুলক কম খরচে লেনদেন করা যায়।
৫. জমা টাকার উপর বিভিন্ন হারে  মুনাফা পাওয়া যায়।
৬. একটি একাউন্টের জন্য ১ম  বছর ডেবিট কার্ড একদম ফ্রি। কোনো চার্জের প্রয়োজন হয় না।
৭. একাউন্ট টি  যেখান থেকেই চালু করা হোক না কেনো যেকোনো শাখা থেকে টাকা উত্তোলন অথবা টাকা প্রয়োজনে জমা দেওয়া যাবে।
৮.যৌথ ব্যাক্তির নামেও  এই  ধরনের একাউন্ট চালু  করা সম্ভব।
৯. RTGS ও  BEFTIN সুবিধা ভোগ করা যায়।

Source

https://www.dutchbanglabank.com/

তাসমিম বর্ষা

আমি একজন স্টুডেন্ট। পড়াশোনার পাশাপাশি আমি অবসর সময়ে লেখালেখি করতে পছন্দ করি।

নবীনতর পূর্বতন